আমাদের সম্পর্কে

দেশত্ববোধ ও বাঙ্গালী সংস্কৃতির বিকাশে বাঙ্গলীর ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক লোক গান ছড়িয়ে পড়ুক সারা বিশ্ব দরবারে। প্রতিশ্রুতিশীল লোকগানের সংগঠন উজান।লোক সাহিত্য ও লোকগীত বাঙালি ঐতিহ্যের ধারক বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের কর্মক্লান্তি দূর করার প্রয়াসে নিজের ও গণ মানুষের মনোরঞ্জনের জন্য প্রেম, ধর্মীয় বিষয়, দর্শন ও ভক্তি, কর্ম ও পরিশ্রম, পেশা ও জীবিকা, ব্যাঙ্গ ও কৌতুক ইত্যাদি বিষয়ে অসংখ্য সাধক, বাউল ও কবি বিভিন্ন লোকজ গান রচনা করেছেন। এদের মধ্যে বাউল গান, গীতি কবিতা, কবিগান, সারিগান, জারিগান, ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি, ঘাটু গান,পালা গান, বিচ্ছেদ গান, গম্ভীরা, যাত্রা গান, ঝুমুর গান ও জাগের গান অন্যতম। তাঁদের কীর্তি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে কিছু মানুষ অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। সে সকল সাধক, কবি ও বাউলদের গান নিয়ে কাজ করছে লোকজ ও আঞ্চলিক গানের দল উজান। বিভিন্ন অঞ্চলের লোকজ ও আঞ্চলিক গান সংগ্রহ করে নতুন প্রজন্মকে তাদের বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্যেও সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য।

মন বুঝে ধন দিতে পারে

কে আছে এই ভাব নগরে

কার কাছে এ মন জুড়াই

লালন সাইজির দর্শন বিশ্লেষণ করছেন অনেক জ্ঞানীজনেরা। তাঁর চিন্তা চেতানা পুরোটাই জুড়ে ছিল বাঙালি সংস্কৃতিকে নিয়ে। এছাড়া লোক সঙ্গীতের প্রসারে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছেন, লালন সাই, হাছন রাজা, রাধা রমন দত্ত, কালুশাহ ফকির, মরমি কবি পাগলা কানাই, শাহ্ আব্দুল করিম, শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব, মাতাল রাজ্জাক, আস্কর আলী পন্ডিত, উকিল মুন্সী, কালু শাহ ফকির, রজ্জব আলী, বিজয় সরকার, নূরুল ইসলাম সরকার,কানাই লাল শীল সহ অসংখ্য আধ্যাতিক সাধক, কবি ও বাউল। তাদের সকলের প্রতি আমার স্বশ্রদ্ধ ভক্তি ও সালাম। আমরা বাঙালি, বাঙালি গর্বের জাতি, বাঙালি কখনো মাথা নত করতে শিখেনি। যতই বাধা আসুক আমাদেরকে আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিকে বুকে ধারণ করতে হবে,  তবেই আমাদের দেশকে আমরা ভালবাসতে পারব।